আমরা শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নই। আমরা লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি মানুষের বিনোদন, উত্তেজনা ও স্বপ্নের অংশীদার। ক্রিকেটের প্রতিটি বলে, প্রতিটি স্লট স্পিনে – 66 BD আপনার পাশেই আছে।
যে তিনটি মূলনীতিতে 66 BD প্রতিদিন কাজ করে
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজ ও আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। শহর থেকে গ্রাম – সবখানে 66 BD যেন একটি পরিচিত নাম হয়।
২০২৮ সালের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও বাংলাভাষী ব্যবহারকারীদের প্রথম পছন্দের অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। সম্পূর্ণ স্থানীয় অভিজ্ঞতা দেওয়া আমাদের স্বপ্ন।
স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা ও খেলোয়াড়দের কল্যাণ – এই তিনটি বিষয় আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের মূলে। ব্যবসার আগে মানুষ, মুনাফার আগে বিশ্বাস।
এই বৈশিষ্ট্যগুলো আমাদের বাংলাদেশের অন্য সব প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে তোলে
মেনু থেকে শুরু করে কাস্টমার সাপোর্ট – সব কিছু বাংলায়। বাংলাদেশের মানুষের জন্যই আমাদের ইন্টারফেস তৈরি, ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে সরাসরি ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল। ব্যাংক কার্ড বা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট মেথডের কোনো ঝামেলা নেই। মাত্র তিন মিনিটে টাকা যায়।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, Two-Factor Authentication ও স্বাধীন অডিটর দ্বারা RNG যাচাই। আপনার ডেটা ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রিয় খেলার জন্য বিশেষভাবে তৈরি বেটিং ফিচার। BPL, IPL, বিশ্বকাপ – বল-বাই-বল লাইভ অড্স ও তাৎক্ষণিক আপডেট।
৩G-তেও নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে এমন অ্যাপ। Android ও iOS উভয়ে পাওয়া যায়। ২৮ MB মাত্র – পুরনো ফোনেও দারুণ পারফর্মেন্স।
রাত তিনটায় সমস্যা হলেও বাংলায় সাহায্য পাবেন। লাইভ চ্যাট, ইমেইল – যেকোনো সমস্যায় আমরা সবসময় আছি।
২০১৮ সালে যখন 66 BD যাত্রা শুরু করে, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং-এর ধারণাটাই অনেকের কাছে নতুন ছিল। সেই সময় যারা অনলাইনে বেটিং করতেন, তাদের ইংরেজি ইন্টারফেস ব্যবহার করতে হতো, ব্যাংক কার্ড ছাড়া টাকা দেওয়া-নেওয়া কঠিন ছিল, আর বাংলায় সাহায্য পাওয়ার কোনো উপায়ই ছিল না।
66 BD-এর প্রতিষ্ঠাতারা নিজেরাও সেই সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। তাই সিদ্ধান্ত নিলেন – বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের মতো করে একটা প্ল্যাটফর্ম বানাবেন। যেখানে বিকাশে ডিপোজিট করা যাবে, বাংলায় সাহায্য পাওয়া যাবে, আর ক্রিকেটে বেট করা হবে ঠিক যেভাবে মাঠে বসে বন্ধুদের সাথে আলাপ করা হয়।
শুরুতে ছিল মাত্র ৫০টি গেম আর কয়েক হাজার সদস্য। প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ ছিল, বাংলাদেশের দুর্বল ইন্টারনেটে লাইভ গেম চালু রাখাটা সহজ ছিল না। কিন্তু দলটা হাল ছাড়েনি। প্রতিটি সমস্যার সমাধান খুঁজেছে, প্রতিটি খেলোয়াড়ের মতামত শুনেছে।
ধীরে ধীরে 66 BD-এর নাম ছড়িয়ে পড়তে লাগলো। ঢাকার কফিশপ থেকে চট্টগ্রামের অফিস, সিলেটের চা-বাগান থেকে খুলনার বন্দরনগরী – মুখে মুখে ছড়িয়ে গেল 66 BD-এর কথা।
বিশ্বাস অর্জন সহজ কাজ নয়, কিন্তু 66 BD সেটা করেছে কাজের মাধ্যমে। প্রতিটি উইথড্রয়াল সময়মতো দেওয়া হয়েছে। কোনো লুকানো চার্জ নেই। RNG সার্টিফিকেশন প্রকাশ্যে রাখা হয়। যখন কোনো প্রযুক্তিগত সমস্যা হয়েছে, সততার সাথে জানিয়েছে এবং ক্ষতিপূরণ দিয়েছে।
66 BD বিশ্বাস করে যে দায়িত্বশীল গেমিং মানে শুধু সতর্কতা বার্তা দেওয়া নয়। এর মানে হলো প্রতিটি খেলোয়াড়ের সীমা মেনে চলা, সমস্যা চিহ্নিত করলে সাহায্য করা এবং গেমিংকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে রাখা – আসক্তির উৎস হিসেবে নয়।
66 BD-এর পেছনে আছে একটি নিবেদিত প্রযুক্তি দল যারা বাংলাদেশের নেটওয়ার্ক পরিস্থিতি বুঝে কাজ করে। Low Data Mode তৈরি হয়েছে কারণ রাজশাহী বা ময়মনসিংহে 4G সবসময় পাওয়া যায় না। অ্যাপের আকার মাত্র ২৮ MB রাখা হয়েছে কারণ সবার কাছে বড় স্টোরেজের ফোন নেই।
প্রতিটি আপডেটে নিরাপত্তা প্যাচ ও নতুন ফিচার একসাথে আসে। 66 BD-এর ডেভেলপমেন্ট টিম প্রতি মাসে গড়ে তিনটি বড় আপডেট দেয়। ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক থেকে ফিচার তৈরি হয় – এটাই আমাদের পদ্ধতি।
ঢাকার রিকশাওয়ালা করিম যে মাসে এক হাজার টাকা জিতে ছেলের বই কিনেছিলেন, রাজশাহীর কলেজছাত্রী রেখা যে বেটিং টিপস পড়ে সচেতনভাবে বেট করা শিখেছেন, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মনির যিনি ক্রিকেট সিজনে 66 BD-কে পরিবারের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন – এরাই 66 BD-এর আসল শক্তি।
পাঁচ লাখের বেশি সদস্য মানে পাঁচ লাখ আলাদা গল্প। প্রতিটি জয় আমাদের কাছে একটি দায়িত্ব – আরও ভালো করার, আরও নিরাপদ করার, আরও আনন্দদায়ক করার।
২০২৬ সালে 66 BD নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। বাংলাদেশি ডিলারসহ লাইভ ক্যাসিনো, বল-বাই-বল ক্রিকেট বেটিং, সম্পূর্ণ বাংলা ভয়েস সাপোর্ট – এগুলো শুধু শুরু। আগামী দুই বছরে VR গেমিং থেকে শুরু করে এআই-চালিত বেটিং বিশ্লেষণ পর্যন্ত অনেক কিছুই আসছে।
তবে যতই প্রযুক্তি আসুক, 66 BD-এর মূল পরিচয় একটাই থাকবে – বাংলাদেশের নিজের প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের মানুষের ভাষায়, বাংলাদেশের পেমেন্টে, বাংলাদেশের খেলার ঐতিহ্যকে সম্মান করে।
৫ লাখ+ সদস্যের সাথে যোগ দিন। ১৫০% স্বাগত বোনাস।
এখনই নিবন্ধনইতোমধ্যে আছেন? লগইন
২০১৮ থেকে আজ পর্যন্ত – মাইলফলকের ইতিহাস
বাংলাদেশি মানুষের জন্য প্রথম সম্পূর্ণ বাংলায় বেটিং প্ল্যাটফর্ম। শুরু হয়েছিল মাত্র ৫০টি গেম ও বিকাশ পেমেন্ট সুবিধা দিয়ে। প্রথম মাসেই ৫,০০০ সদস্য যোগ দেন।
Evolution Gaming-এর সাথে পার্টনারশিপে লাইভ বাকারা ও রুলেট যোগ হয়। BPL সিজনে ক্রিকেট বেটিং বিভাগ আলাদাভাবে লঞ্চ হয়। সদস্য সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায়।
Android APK ও iOS অ্যাপ একসাথে লঞ্চ। প্রথম মাসেই ১ লাখ ডাউনলোড। নগদ পেমেন্ট যোগ হয়। Low Data Mode চালু করা হয় গ্রামীণ ব্যবহারকারীদের জন্য।
চার স্তরের VIP সিস্টেম চালু। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি ডিলারসহ লাইভ ক্যাসিনো টেবিল যোগ হয়। রকেট পেমেন্ট ও বায়োমেট্রিক লগইন ফিচার আসে।
অ্যাভিয়েটর ও ক্র্যাশ গেম বিভাগ চালু। সদস্য সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যায়। বল-বাই-বল ক্রিকেট বেটিং ফিচার বাংলাদেশে প্রথম 66 BD-ই এনেছে।
৫ লাখের বেশি নিবন্ধিত সদস্য নিয়ে 66 BD বাংলাদেশের #১ বেটিং প্ল্যাটফর্ম। প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম, বাংলা ভয়েস সাপোর্ট ও আরও অনেক কিছু আসছে।
যারা প্রতিদিন 66 BD-কে আরও ভালো করার জন্য কাজ করছেন
১৫ বছরের অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রিতে পথিকৃৎ। 66 BD-এর স্বপ্নদ্রষ্টা।
সিলিকন ভ্যালি থেকে ফিরে আসা ইঞ্জিনিয়ার। 66 BD-এর পুরো প্রযুক্তি কাঠামো তার মাথা থেকে।
আন্তর্জাতিক গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা। প্রতিটি গেম নির্বাচনে ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত।
৫০ জনের সাপোর্ট দলের নেতৃত্ব দেন। খেলোয়াড়দের সন্তুষ্টিই তার একমাত্র লক্ষ্য।
66 BD বিশ্বাস করে, গেমিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম – কখনো সমস্যার কারণ নয়। তাই আমরা শুধু সতর্কতা বার্তা দিই না, বাস্তব সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখি।
66 BD একটি দায়িত্বশীল গেমিং প্ল্যাটফর্ম। আমাদের সেবা শুধুমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য।
৫ লাখ+ বাংলাদেশি ইতোমধ্যেই 66 BD-তে আছেন। আজই যোগ দিন, ১৫০% স্বাগত বোনাস পান এবং বাংলাদেশের সেরা গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।